ভাঙড়ে আইএসএফের রক্তদান শিবির ঘিরে তৃণমূল-আইএসএফ সংঘর্ষ, আহত উভয়পক্ষের একাধিক
নতুন পয়গাম, সাহিনুর ইসলাম, ভাঙড়: ভাঙড়ে আইএসএফ পরিচালিত রক্তদান শিবিরকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস ও আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে একাধিক জায়গায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকী। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় বিধানসভার শানপুকুর অঞ্চলের নিমকুড়িয়া গ্রামে আইএসএফের উদ্যোগে একটি রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে আইএসএফ কর্মী ও সাধারণ মানুষ রক্ত দিতে সেখানে যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় বিভিন্ন এলাকায় আইএসএফ কর্মীদের উপর তৃণমূল কর্মীরা হামলা চালায়।
আইএসএফের এক কর্মীর অভিযোগ, শানপুকুর অঞ্চলের চিনিপুকুর গ্রাম থেকে অটোভ্যানে করে কয়েকজন কর্মী নিমকুড়িয়ার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। ঠিক সেই সময় কাছাকাছি তৃণমূলের একটি দলীয় সভা চলছিল। অভিযোগ, সেখান থেকেই ধরে নিয়ে গিয়ে এক আইএসএফ কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে জিয়নগাছা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে উত্তর কাশিপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে। এরপর চালতাবেড়িয়া অঞ্চলের চক মরিচা গ্রামেও তৃণমূল ও আইএসএফ কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। সেখানেও এক আইএসএফ কর্মীকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকী বলেন, “এই ঘটনার দায় অভিষেক বাবুকে নিতে হবে। তাঁর বক্তব্যের পর থেকেই ভাঙড়ে উত্তেজনা বেড়েছে।” অন্যদিকে, তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, “চিনিপুকুরে একটি রাস্তা উদ্বোধন উপলক্ষে আমাদের সভা ছিল। সেই সভা আইএসএফ কর্মীরা বানচাল করার চেষ্টা করে এবং আমাদের কয়েকজন কর্মীকে মারধর করে। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।” ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং তদন্ত চলছে।








