চুন চুনকে ঘুসপেটিয়া খাদেরনা হ্যায়: অমিত শাহ
নতুন পয়গাম, নয়াদিল্লি: বিহার, বাংলা সহ ১৪ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর করে বাংলাদেশি, রোহিঙ্গা, অনুপ্রবেশকারী সেভাবে ধরা না পড়লেও, ফের ঘুসপেটিয়া নিয়ে সুর চড়ালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার আসাম গিয়ে হুঁঙ্কার দিয়ে বললেন, দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে বাংলাদেশি অনুপ্রবশেকারী খুঁজে খুঁজে তাড়িয়ে দেওয়া হবে। একজনও ছাড় পাবে না। তাঁর কথায়, এসআইআর করা হচ্ছে ভোটার তালিকা শুদ্ধ করার লক্ষ্যে। ঘোষিত লক্ষ্য ছিল, অনুপ্রবেশকারী কিংবা অবৈধ ভোটার ও জাল বা ডুপ্লিকেট ভোটার বাদ দেওয়া। সেই কাজই চলছে। এমন সময় অমিত শাহ নতুন করে অনুপ্রবেশকারী বিতাড়নের ঘোষণা করায় প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি এসআইআরের পর আরও কিছু আসছে?
উল্লেখ্য, আসামেও কয়েক মাস পর বিধানসভা ভোট থাকলেও বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে এসআইআর করছে না নির্বাচন কমিশন। তবুও আসামের মাটি থেকেই অমিত শাহ চুন চুনকে ঘুসপেটিয়া খেদাওের হুমকি দিলেন। আসামেই অনুপ্রবেশকারী এবং অবৈধ বসবাসকারীদের চিহ্নিত করার জন্য দেশের মধ্যে প্রথম এনআরসি হয়েছে। ওই তালিকায় বাদ যাওয়া মোট সন্দেহজনক নাগরিকের মধ্যে ১২ লক্ষাধিক হিন্দু বাঙালি। যাদের আবেদন-নিবেদন বছরের পর বছর ধরে চলছে। সুপ্রিম কোর্টেও এনআরসি সংক্রান্ত চুড়ান্ত রায়দান অমীমাংসিত হয়ে রয়েছে। অসমে এনআরসির সময় থেকেই জেলায় জেলায় ডিটেনশন সেন্টার তৈরি হয়েছে। এবার এসআইআর চালু হওয়ার সিদ্ধান্তের পর সেই ধাঁচে উত্তরপ্রদেশের একঝাঁক জেলায় গড়ে তোলা হয়েছে ডিটেনশন ক্যাম্প। শনিবার থেকে বিশেষ করে বাংলায় চালু হয়েছে খসড়া তালিকা প্রকাশ পরবর্তী শুনানি পর্ব। অর্থাৎ সন্দেহভাজন ভোটারদের ডেকে পাঠানো। এই পর্বে প্রথম ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই দেখা গিয়েছে রাজ্যজুড়ে সাধারণ মানুষের হয়রানির পর্ব।








