রাজ্যে হবে ১৬ হাজার কিমি. পাকারাস্তা, বরাদ্দ ৭.৫ হাজার কোটি
নতুন পয়গাম, কলকাতা:
সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে রাজ্যজুড়ে ১৫ হাজার কিলোমিটার পাকারাস্তা বানানোর সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়ে ৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করল রাজ্য সরকার। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের গ্রামীণ এলাকার সড়ক উন্নয়নে অনুমোদন দিচ্ছে না মোদি সরকার। তাই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে একাধিকবার বঞ্চনার অভিযোগ এনে সুর চড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাতেও সুরাহা না হওয়ায় এবার গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ ও উন্নয়নের দায়িত্ব নিজেই নিল নবান্ন। ইতিমধ্যেই রাজ্যে শুরু করেছে ‘পথশ্রী’ প্রকল্প। পাশাপাশি এবারের টার্গেট প্রায় ১৬ হাজার কিমি. গ্রামীণ রাস্তা। এতে ব্যয় হবে আনুমানিক ৭৫০০ হাজার কোটি টাকা।
২০২৬ সালের এপ্রিলের মধ্যেই এই কাজ শেষ করতে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে রাজ্য সরকার। এই লক্ষ্যে সোমবারই প্রত্যেক জেলা প্রশাসনের সঙ্গে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের কাজ শুরুর প্রসঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছে রাজ্যের পঞ্চায়েত দপ্তর। মঙ্গলবার তার পোর্টাল সংক্রান্ত বৈঠক হয়। ডিসেম্বরেই এই ওয়ার্ক অর্ডার সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
উল্লেখ্য, শেষবার রাজ্যে গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নের অনুমোদন দেওয়া হয় গতবছর। সেবার ৩,৩০০ কিমি রাস্তার প্রকল্প পাস হয়। তারপর অনেকবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও বাংলার প্রাপ্য বরাদ্দ দেয়নি কেন্দ্র সরকার। কেন্দ্রের সহায়তা প্রাপ্ত ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনা-৩’ এর অধীন রাজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬২৫৫ কিমি. রাস্তা নির্মাণের। এর মধ্যে এখনও প্রায় ২০১৯ কিমি.র সবুজ সংকেত দেয়নি দিল্লি। ৪,২৩৬ কিমি.র অনুমোদন মিলিছে, যার জন্য খরচ হবে ২৫০০ হাজার কোটি টাকা। আবার এর মধ্যে হাজার কোটি এখনও কেন্দ্র থেকে পাওয়া যায়নি।
এ প্রসঙ্গে রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, লাগাতার কেন্দ্রীয় বঞ্চনার পাশাপাশি আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বাংলার গ্রামোন্নয়নে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই আবারও রাজ্যের কোষাগার থেকে খরচ করে প্রায় ১৬ হাজার কিম. রাস্তা নির্মাণ, সম্প্রসারণ ও সংস্কার করা হবে। এভাবেই উন্নয়নের মধ্য দিয়ে কেন্দ্র সরকারের বঞ্চনার জবাব দেবে রাজ্য সরকার।








