অবসাদে ভুগছেন বিশ্বের ১০০ কোটি মানুষ: হু
নতুন পয়গাম, নিউ ইয়র্ক, ৬ সেপ্টেম্বর:
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ইত্যাদি ক্রমেই বাড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’ তাদের সর্বশেষ রিপোর্টে বলেছে, বিশ্বে প্রত্যেক সাত জনের মধ্যে একজন ব্যক্তি মানসিক অবসাদে ভুগছেন! আসল কথা হল, শরীরের অসুখ চেনা গেলেও, মনের অসুখ ধরা দায়! মনের গভীরে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা বেদনায় কমবেশি প্রায় প্রত্যেকেই ভুগছেন। মানসিক অবসাদ বাসা বাঁধছে মনের কোনে। বিশ্বজুড়েই বাড়ছে মানসিক অবসাদ।
সম্প্রতি এমনই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে ‘হু’। যেখানে বলা হচ্ছে, বিশ্বজুড়ে ১০০ কোটিরও বেশি মানুষ ‘মেন্টাল হেলথ ডিসঅর্ডারে’ ভুগছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দুচিন্তা, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা তথা অবসাদ ঘিরে ধরছে মানুষকে। এই সংক্রান্ত দুটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। একটির নাম ‘ওয়ার্ল্ড মেন্টাল হেল্থ টুডে’ এবং দ্বিতীয়টি হল ‘মেন্টাল হেল্থ অ্যাটলাস ২০২৪’। যেখানে বলা হয়েছে, করোনা পরিস্থিতিতে এই অসুখ আরও ভয়ঙ্কর আকার নিয়েছে। বেশ কিছু দেশ ইতিমধ্যে নাগরিকদের মানসিক স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে বিশেষ নীতি তৈরি করেছে। কিন্তু তাতে ফল কি মিলছে? সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলে হু-রিপোর্ট বলছে, মানসিক অবসাদ এমন জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে যে, আত্মহত্যার প্রবণতা হু হু করে বাড়ছে।
তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এই প্রবণতা অনেক বেশি। বিশ্বে প্রতি ১০০ জনের মধ্যে একজন আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে সিজোফ্রেনিয়া এবং বাইপোলার ডিসঅর্ডারের মতো সমস্যা বাড়ছে। প্রায় ২০০ জনের মধ্যে একজন এবং ১৫০ জনে একজন প্রাপ্তবয়স্ক এই সমস্যায় ভুগছেন। হু-র তথ্য বলছে, এই অসুখের শুরু মূলত ২০২০ সাল থেকে হয়। এই সময় করোনা অতিমারী গোটা বিশ্বকে গ্রাস করলে অর্থনীতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন আনুষঙ্গিক কারণে মানসিক চাপ বাড়তে থাকে। কেউ কাজ হারিয়েছেন, কেউ আবার স্বজনকে হারিয়েছেন। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাতেও আমূল বদল এসেছে কোভিডকালে। তার জের এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি বহু মানুষ।








