ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে জাঁকজমকপূর্ণ বাসন্তী পুজোর সূচনা
এহসানুল হক, নতুন পয়গাম, বসিরহাট: বসিরহাটের ঘোজাডাঙ্গা সীমান্ত এলাকায় ক্লিয়ারিং ফরওয়ার্ডিং অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে ধুমধাম করে শুরু হলো বাসন্তী পুজো। সীমান্তবর্তী এই এলাকায় প্রতি বছরের মতো এবছরও উৎসবকে ঘিরে তৈরি হয়েছে আনন্দমুখর পরিবেশ। স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে জমে ওঠে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। এই শুভ সূচনা লগ্নে উপস্থিত ছিলেন ঘোজাডাঙ্গা ক্লিয়ারিং ফরওয়ার্ডিং অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সঞ্জীব মন্ডল, সভাপতি সহ অন্যান্য সদস্যরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী সারিকুল ইসলাম মন্ডল, সমাজসেবী শফিকুল ইসলাম দফাদার সহ এলাকার একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তিত্ব। অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বিএসএফ-এর একাধিক জওয়ান ও কমান্ডোদের উপস্থিতি বিশেষভাবে নজর কাড়ে।
উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট সমাজসেবী সারফুল ইসলাম মন্ডল এবং অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সঞ্জীব মন্ডল। বাসন্তী পুজোকে কেন্দ্র করে আগামী পাঁচ দিন ধরে চলবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান—নাচ, গান, নাটক ও স্থানীয় প্রতিভাদের পরিবেশনা। ফলে ইতিমধ্যেই উৎসবের আবহে মেতে উঠেছে সীমান্ত এলাকার মানুষ। এই আয়োজনের মাধ্যমে হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।
সঞ্জীব মন্ডল বলেন, “প্রতি বছরের মতো এবছরও আমরা বাসন্তী পুজোর আয়োজন করেছি, তবে এবার আরও বড় পরিসরে। এই পুজো শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি আমাদের সকলের মিলনমেলা। হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকলে একসঙ্গে অংশগ্রহণ করছেন। আগামী পাঁচ দিন ধরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে। আমরা চাই এই উৎসবের মাধ্যমে সম্প্রীতির বার্তা আরও ছড়িয়ে পড়ুক।” অন্যদিকে শারিরিফুল মন্ডল বলেন, “এই ধরনের উৎসব সামাজিক বন্ধনকে আরও মজবুত করে। সীমান্ত এলাকায় এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। এখানে সবাই মিলেমিশে অংশ নিচ্ছেন, সেটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। ভবিষ্যতেও এই সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় থাকুক, এটাই আমাদের কামনা।” ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে বাসন্তী পুজো তাই শুধু একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং সম্প্রীতি ও ঐক্যের এক উজ্জ্বল প্রতীক হয়ে উঠেছে।








