ব্রাদারহুডকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করতে ট্রাম্পের নির্দেশ
নতুন পয়গাম, ওয়াশিংটন:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সহযোগীদের মিসর, লেবানন ও জর্ডানে মুসলিম ব্রাদারহুডের সমস্ত শাখাকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত করে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, মুসলিম ব্রাদারহুড ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে সমর্থন করে। সোমবার ট্রাম্প এই আদেশ জারি করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে ইসরাইলের বিরোধীদের ওপর কঠোর পদক্ষেপ করছে ওয়াশিংটন।
নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, জর্ডানে মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতারা হামাস ও আল-জামাআল-ইসলামিয়া নামে পরিচিত গোষ্ঠীর লেবাননের শাখাকে সহায়তা দিয়েছে এবং তারা ইসরাইলের সাথে যুদ্ধে হামাস ও হিজবুল্লাহর পক্ষ নিয়েছে। আরো দাবি করা হয়, গাজায় যুদ্ধের সময় এক মিসরীয় মুসলিম ব্রাদারহুড নেতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগী ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় সহিংস হামলার আহ্বান জানিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, মুসলিম ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী তকমা দিয়ে অনেক বছর আগেই মিসরে নিষিদ্ধ করেছে আলসিসি সরকার।

এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মুসলিম ব্রাদারহুডের আন্তদেশীয় নেটওয়ার্ককে মোকাবিলা করছেন। এই নেটওয়ার্ক মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন স্বার্থ ও মিত্রদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদ ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির প্রচারণায় ইন্ধন জোগায়।
১৯২৮ সালে বিশ্ববন্দিত মিশরীয় ইসলামী চিন্তাবিদ হাসান আল-বান্না প্রতিষ্ঠা করেন মুসলিম ব্রাদারহুড। বিশ্বের সবথেকে প্রাচীন এই ইসলামী সংগঠন মধ্যপ্রাচ্য-সহ বহু দেশে কাজ করে। তাই অনেক দেশে এর শাখা রয়েছে। ব্রাদারহুড মূলত ইসলামী রাজনীতি ও সামাজিক সংগঠন। এদের মূল কথা হল ইনসাফ এবং ইসলামের মৌলিক মানবীয় নীতিমালা মেনে চলা। তাই আরবদের পাশাপাশি বেশ কিছু মুসলিম দেশ ব্রাদারহুডকে কালো তালিকাভুক্ত ও নিষিদ্ধ করে রেখেছে। কারণ, এইসব দেশগুলো অনৈসলামিক পন্থায় রাজতান্ত্রিক সরকার তথা দেশ পরিচালনা করে।








