বিজেপির সমালোচনার মধ্যেই জয়নগরে তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয়া সম্মেলন অনুষ্ঠিত
উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়, নতুন পয়গাম, জয়নগর
দুর্গাপুজোর উৎসবমুখর আমেজ কাটতেই জয়নগর বিধানসভা তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে মঙ্গলবার জয়নগর শিবনাথ শাস্ত্রী সদনে অনুষ্ঠিত হলো বিজয়া সম্মিলনী। অনুষ্ঠান ঘিরে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র তথা কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর অরূপ চক্রবর্তী, সুন্দরবন জেলা তৃণমূল সভাপতি ও মন্দিরবাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার, জয়নগরের বিধায়ক বিশ্বনাথ দাস, জেলা তৃণমূল জয়হিন্দ বাহিনীর সহ-সভাপতি রাজু লস্কর, জেলা পরিষদ সদস্য বন্দনা লস্কর, তপন কুমার মণ্ডল, বনানী গায়েন, জয়নগর ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ঋতুপর্ণা বিশ্বাস, জয়নগর ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রিয়াঙ্কা মণ্ডল, জয়নগর-মজিলপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান সুকুমার হালদার, ভাইস-চেয়ারম্যান রথীন কুমার মণ্ডল, এবং দুই ব্লকের সংখ্যালঘু ও যুব তৃণমূল নেতৃবৃন্দ সহ বহু কর্মী-সমর্থক।
বিজয়া সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বিজেপির তীব্র সমালোচনা করে বলেন,
“এসআইআর-এর নামে যাতে প্রকৃত ভোটারদের নাম বাদ না যায়, সেই দিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিজেপি সংখ্যালঘু ভোটারদের নাম বাদ দিতে চায়, কারণ তারা জানে—এই রাজ্যের মানুষ দিদিকে চায়, বিজেপিকে নয়।”
তিনি একই সঙ্গে সিপিএম ও এসইউসির বিরুদ্ধেও কড়া আক্রমণ শানান।
অরূপবাবু উত্তরবঙ্গে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর ওপর হামলার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “এই হামলা কখনোই কাম্য নয়। কিন্তু বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী বা শমীক ভট্টাচার্য কেউ দেখতে না গেলেও, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে গিয়ে তাঁর খোঁজ নিয়েছেন। এটাই তৃণমূল ও বিজেপির মূল পার্থক্য।”
তিনি দাবি করেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সবক’টি ৩১টি আসনেই তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হবে।
বিজয়া সম্মেলনে জয়নগরের বিধায়ক বিশ্বনাথ দাস কর্মী-সমর্থকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আমাদের ঐক্য ও সংগঠনই আগামী দিনে আরও শক্তিশালী তৃণমূল গড়ে তুলবে।”
অনুষ্ঠান জুড়ে উৎসবের আবহে ভরে ওঠে শিবনাথ শাস্ত্রী সদন—তৃণমূলের কর্মীরা নতুন উদ্যমে সংগঠন মজবুত করার অঙ্গীকার নেন।







