বিহারে মুসলিম বিধায়ক মাত্র ১০
নতুন পয়গাম, পাটনা:
বিহারে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১৮ শতাংশ। কিন্তু এবার এই রাজ্যে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মাত্র ১০ জন মুসলিম। যা স্বাধীনতার পর সবথেকে কম। ২০২০ সালে মুসলিম বিধায়ক ছিল ১৯ এবং ২০১৫ সালে ছিল ২৪। এবার ২৪৩ আসনের বিধানসভায় ১০ জন মুসলিম বিধায়ক নির্বাচিত হওয়া মানে ৪ শতাংশের মতো। এই পিছিয়েপড়া সম্প্রদায়ের জনসংখ্যার অনুপাতে রাজনীতি বা বিধানসভায় প্রতিনিধিত্ব অনেক কমে যাওয়ায় হতাশ বিহারের মুসলিমরা। উল্লেখ্য, বিজেপি এবং এনডিএ জোটের কোন দলেরই লোকসভা এবং রাজ্যসভায় একজনও মুসলিম সাংসদ নেই। স্বভাবতই স্বাধীনত্তোর ভারতে এই প্রথম নরেন্দ্র মোদির জামানায় একজনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মুসলিম নেই। এবার বিহারে নির্বাচনের আগে মোদি-শাহকে নীতীশ কুমার বলেছিলেন, বিহারে প্রচারে যেন সাম্প্রদায়িক কথাবার্তা না বলা হয়। সে যাহোক, এবার বিহারে মুসলিম বিধায়ক সংখ্যা একেবারে তলানিতে যাওয়ার অন্যতম কারণ হল, ক্ষমতাসীন এনডিএ এবং বিরোধী মহাজোট — উভয় পক্ষই আগের তুলনায় কম মুসলিম প্রার্থী দেয়। যারা প্রার্থী হন, তাদের অধিকাংশই হেরেছেন এবার। নির্বাচিত ১০ জন মুসলিম বিধায়কের মধ্যে পাঁচজনই আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল মিম-এর।
নীতীশ কুমারের দল জেডিইউ মাত্র চার মুসলিম প্রার্থী দিয়েছিল। জিতেছেন মাত্র একজন, মহম্মদ জামা খান। গতবার তিনি বিএসপি থেকে জিতেছিলেন। এনডিএ শরিক এলজেপির একমাত্র মুসলিম প্রার্থী হেরেছেন। আরজেডি ও কংগ্রেসের দু’জন করে মুসলিম প্রার্থী জিতেছেন।








