ডিজিটাল লাইব্রেরির নতুন যুগের সূচনা, কালিয়াচক কলেজে বক্তৃতা সিরিজ
নতুন পয়গাম, কালিয়াচক:
“লাইব্রেরি ই-রিসোর্সেস: বুন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ” শীর্ষক এক বিশেষ বক্তৃতা সিরিজের আয়ো,জন করা হয় কালিয়াচক কলেজে। বিভিন্ন বিভাগের প্রায় একশত শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ ড. নজিবার রহমান। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি ই-কনটেন্ট, ই-ডকুমেন্ট, ই-বুক ও ই-জার্নালের মতো ডিজিটাল সম্পদের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার আধুনিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরেন। এই কলেজে ২০২৪ সালেই ডিজিটাল লাইব্রেরী করে ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকদের উৎকর্ষ শিক্ষা এবং গবেষণার পথ উন্মুক্ত করেছে।
প্রধান অতিথি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারিক ড. নিমাইচাঁদ সাহা তাঁর বক্তব্যে বলেন, লাইব্রেরি ব্যবহারের আধুনিক রীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটে গিয়েছে। ই-রিসোর্সের উত্থানে শিক্ষার্থী, গবেষক ও শিক্ষকদের তথ্য পাওয়া এখন অনেক সহজ হয়েছে। তিনি ডিজিটাল লাইব্রেরি সংগ্রহের যথাযথ ও কার্যকর ব্যবহারের পদ্ধতি ব্যাখ্যা করেন এবং দায়িত্বশীল ও অনুসন্ধিৎসু মনোভাব নিয়ে এগুলোর সদ্ব্যবহার শিক্ষার্থীদের জ্ঞান আহরণে উৎসাহিত করে বলে উল্লেখ করেন। তাই এ বিষয়ে যথাযথ গুরুত্ব আরোপের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের সরকার পোষিত কলেজগুলোর মধ্যে কালিয়াচক কলেজ হচ্ছে ন্যাক-এর মান্যতাপ্রাপ্ত একমাত্র এ গ্রেড কলেজ।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কলেজের লাইব্রেরিয়ান স্বপন কুমার মন্ডল। তিনি তথ্য ব্যবস্থাপনার উদীয়মান ধারা সম্পর্কে সচেতন থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। সঞ্চালনা প্রোগ্রাম সঞ্চালনা করেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক গজেন বারুই। সমাপ্তি ভাষণে অধ্যক্ষ ড. রহমান উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন কেন্দ্রে কলেজের ভূমিকা তুলে ধরে সচেতনভাবে ই-রিসোর্সকে গ্রহণ করে গবেষণা সংস্কৃতি বিকাশের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানটি শিক্ষার্থীদের উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে শেষ হয়, যেখানে তারা একাডেমিক যাত্রার অনিবার্য অংশ হিসাবে ডিজিটাল তথ্য সম্পদ অন্বেষণে নবউদ্যম প্রকাশ করেন।








