এসআইআর: দলীয় পারফর্ম্যান্সে সেরা বেচারাম, অসীমা
নতুন পয়গাম, কলকাতা:
এসআইআর শুরুর আগে দলের সর্বস্তরের নেতা, কর্মী ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার ২০ দিন পর সোমবার ২৫ হাজার নেতাকে নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করেন অভিষেক। সেই বৈঠকে জেলা ধরে, বিধানসভার নাম উল্লেখ করে অভিষেক জানিয়ে দিলেন, কারা এগিয়ে, কারা পিছিয়ে। আরও যে ১০ দিন এসআইআরের প্রথম পর্বের কাজ বাকি রয়েছে, তাতে গতি আনতে জেলায় ৯ জন নেতাকে বুধবার পৌঁছে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন অভিযেক। এদিন প্রায় আড়াই ঘণ্টার বৈঠক হয়। ২০ দিন পূর্বে এসআইআর শুরুর আগে অভিষেক নির্দেশ দিয়েছিলেন, কমিশনের নিযুক্ত বিএলওদের সর্বক্ষণের ছায়াসঙ্গীর মতো লেগে থাকতে হবে বিএলএদেরকে। দৈনিক কাজের তথ্য-পরিসংখ্যান ‘দিদির দূত’ অ্যাপে নথিভুক্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
এখন দেখা যাচ্ছে অনেক জায়গাতেই আশানুরূপ কাজের অগ্রগতি হয়নি। আবার অনেক জায়গায় ভাল কাজ হয়েছে। অভিষেকের বিচারে বিএলএ সক্রিয়তা এবং এনুমারেশন ফর্ম জমা পড়ার নিরিখে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে বালিগঞ্জ, বনগাঁ দক্ষিণ, বেলেঘাটা, এন্টালি, মধ্যমগ্রাম, কলকাতা বন্দর, কাশীপুর-বেলগাছিয়া এবং চৌরঙ্গির মতো আটটি বিধানসভা। এর মধ্যে বালিগঞ্জের বিধায়ক ও মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, কলকাতা বন্দরের বিধায়ক ও মন্ত্রী-মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং মধ্যমগ্রামের বিধায়ক মন্ত্রী রথীন ঘোষ, কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের বিধানসভা কাশীপুর-বেলগাছিয়াও রয়েছে পিছিয়েপড়া তালিকায়।
এসআইআর এর কাজে রাজ্যে সবথেকে এগিয়ে রয়েছে হুগলীর সিঙ্গুর, ধনেখালি ও হরিপাল। মন্ত্রী বেচারাম মান্না সিঙ্গুর, তাঁর স্ত্রী ডা. করবী মান্না হরিপাল এবং অসীমা পাত্র ধনেখালির বিধায়ক। অন্যান্য এগিয়ে থাকা তালিকায় রয়েছে উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘি, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, রায়গঞ্জ, মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ, হুগলির তারকেশ্বর।
এই মর্মে অনেক বিধায়ক, মন্ত্রীর কাজে সন্তুষ্ট না হয়ে অভিয়েক তাদেরকে ব্লক ও জেলাস্তরে ঘুরে ঘুরে কাজের নিদান দিয়ে বলেছেন, ওয়ার রুমে থাকুন। জনসংযোগ বাড়ান। এলাকা চষে ফেলতে হবে। মানুষের দুয়ারে দুয়ামরে গিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়ার কাজে মানুষকে সহযোগিতা করুন, সমস্যা দেখা দেওয়া মাত্র দলীয় অ্যাপে জানান। অভিষেকের কথায়, ওরা ভোট চুরি করতে নেমেছে। আমরা সেই চুরি ধরব। এই কাজে আরো গতি আনতে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত আজ বুধবার থেকেই ৯ নেতাকে জেলায় যেতে নির্দেশ দিয়েছেন।








