দোহায় হামলায় কাতারি নাগরিক নিহত: কাতারের কাছে ক্ষমা চাইলেন নেতানিয়াহু
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
নতুন পয়গাম,ওয়াশিংটন
দোহার আকাশে ৯ সেপ্টেম্বরের সেই অপ্রত্যাশিত বিস্ফোরণ এখনও কাতারের মনে জ্বলছে—যেখানে ইসরায়েলি বিমান হামাসের নেতাদের টার্গেট করে হামলা চালায়, কিন্তু নির্দোষ কাতারি নিরাপত্তা কর্মকর্তা বদর আল-দোসরিকে প্রাণ দিতে হয়। এই ঘটনা কাতারের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে, হামাসের সঙ্গে শান্তি আলোচনার মাঝখানে বিশ্বাস ভেঙে দেয়। সোমবার হুইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল থানির সঙ্গে ফোনে কথা বলে ক্ষমা চান। “আমরা আপনার এক নাগরিকের মৃত্যুতে দুঃখিত, কাতারের ভূখণ্ড লঙ্ঘনের জন্যও। এমন হামলা আর হবে না,” তিনি বলেন।
এই ক্ষমা শুধু কূটনৈতিক মোচড় নয়—গাজা যুদ্ধ শেষের ২০ দফা পরিকল্পনার চাবিকাঠি। কাতার, হামাসের সঙ্গে মধ্যস্থতায় অবিচ্ছেদ্য, হামলার পর আলোচনা বন্ধ করে দিয়েছিল। এখন ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় পথ মেলানোর চেষ্টা: ইসরায়েল কাতারি পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেবে, জিম্মি মুক্তি ও অস্ত্রত্যাগের বিনিময়ে শান্তি। নেতানিয়াহুর কোষ্ঠায় ডানপন্থীদের ক্ষোভ জ্বলছে, কিন্তু তিনি বলেন, “এটি শান্তির জন্য প্রয়োজনীয়।”
কাতারের প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস গ্রহণ করেন, বলেন, “আমরা মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতায় প্রস্তুত।” বিশ্ব নেতারা এটিকে ‘টার্নিং পয়েন্ট’ বলছেন, কিন্তু হামাসের প্রতিক্রিয়া অপেক্ষার। এই ক্ষমা কি গাজার আলো জ্বালাবে, নাকি নতুন ছায়া ফেলবে? সময় বলবে।








