ধূপগুড়িতে শুভেন্দু অধিকারীর ত্রাণ বিতরণে বিক্ষোভ, উত্তেজনা ছড়াল কুর্শামারিতে
প্রীতিময় সরখেল, নতুন পয়গাম, ধূপগুড়ি
বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে বিক্ষোভ ও উত্তেজনার মুখে পড়লেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সকালে ধূপগুড়ি ব্লকের কুর্শামারি বাজারে বন্যা দুর্গতদের হাতে ত্রাণসামগ্রী বিতরণের সময় ঘটনাটি ঘটে।
বিজেপির এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন নাগরাকাটার বিধায়ক পুনা ভেংরা, ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মন, জলপাইগুড়ির সাংসদ ডা. জয়ন্ত কুমার রায় ও রাজ্য কমিটির সদস্য মিতালী রায়। সকাল থেকেই কুর্শামারি বাজারে তৈরি হয় একটি অস্থায়ী মঞ্চ, সেখান থেকেই শুভেন্দু অধিকারী বন্যাদুর্গতদের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।
কিন্তু অভিযোগ ওঠে—ত্রাণসামগ্রী ছিল “অপর্যাপ্ত” ও “অসামঞ্জস্যপূর্ণ”। অনেকেই ক্ষোভে ত্রাণ নিতে অস্বীকার করেন এবং বিতরণ করা সামগ্রী ফেরত দেন। মুহূর্তেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বিক্ষোভ ও হট্টগোল শুরু হয়। পুলিশ ও স্থানীয় নেতৃত্ব পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ কিছুক্ষণ হিমশিম খায়।
এই বিশৃঙ্খলার মধ্যেই শুভেন্দু অধিকারী মঞ্চ থেকে বলেন,
“এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মূল কারণ লাগামছাড়া বালি পাচার। নদী থেকে অবৈধভাবে বালি তোলার ফলেই নদীর গতিপথ বদলে যাচ্ছে, আর প্রতি বছর এমন বন্যা হচ্ছে।”
তিনি আরও অভিযোগ তোলেন তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে—
“তৃণমূলের জেলা কমিটির সদস্য রাসেল সরকার ও জেলা সভাপতি মহুয়া গোপের ভাই পাপাই গোপ—এই দুইজনের নেতৃত্বেই চলছে বেআইনি বালি পাচারের চক্র। সরকার ও প্রশাসন সব জেনেও চোখ বন্ধ করে আছে।”
বিক্ষোভের মধ্যেই শেষ হয় শুভেন্দু অধিকারীর ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।








