বৈষ্ণবনগরে কংগ্রেসের প্রার্থীর দৌড়ে এগিয়ে অধ্যাপক ড. সিদ্ধার্থ শঙ্কর ঘোষ
নতুন পয়গাম, মালদা: মালদার দক্ষিণাংশে অবস্থিত ৫৪ বৈষ্ণবনগর বিধানসভায় আগামী বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন দলের নেতা কর্মী থেকে সাধারণ ভোটারদের উৎসাহ চোখে পড়ার মতো। এখনও পর্যন্ত বাম, বিজেপি এবং তৃণমূল তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে। আশ্চর্যের ব্যাপার হলো তিনটি ঘোষিত প্রার্থীর মধ্যে দুটিই বহিরাগত প্রার্থী। আরএসপির প্রার্থী দুদুম্ভী সাহা ইংরেজবাজার বিধানসভার এবং বিজেপির প্রার্থী রাজু কর্মকার সুজাপুর বিধানসভার মানুষ। একমাত্র তৃণমূলের বর্তমান বিধায়িকা চন্দনা সরকার পুনরায় টিকিট পেয়েছেন নিজের বিধানসভায়। স্বাভাবিকভাবেই বৈষ্ণবনগর বিধানসভার সাধারণ মানুষদের মনে প্রশ্ন উঠছে বৈষ্ণবনগর বিধানসভার যোগ্য প্রার্থীর অভাব নিয়ে। এখনও পর্যন্ত জাতীয় কংগ্রেসের কোনও প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। সবার চোখ এখন কংগ্রেসের সম্ভাব্য প্রার্থীর দিকে। অনেকেই মনে করছেন সুশিক্ষিত যোগ্য কোনও ভূমিপুত্র কংগ্রেসের টিকিটে লড়াই করলে তৃণমূল এবং বিজেপির মতো দলের পক্ষে লড়াই খুব সহজ হবে না।
জাতীয় কংগ্রেসের একাধিক নাম উঠে আসলেও সব থেকে বেশি চর্চায় আছেন অধ্যাপক ড. সিদ্ধার্থ শঙ্কর ঘোষ। জেলা কংগ্রেসের সম্পাদক, মানিকচক এবং মোথাবাড়ি বিধানসভার পর্যবেক্ষক, জেলা ওবিসি সেলের সভাপতি এবং জেলা মিডিয়া বিভাগের চেয়ারপার্সনের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা অধ্যাপকের সামাজিক এবং রাজনৈতিক বিভিন্ন বিষয়ে দৃঢ় মতামত রাখার জন্য জেলা জুড়ে খ্যাতি রয়েছে। জাতীয় কংগ্রেসের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে চর্চায় আছেন বর্তমান ব্লক সভাপতি আজিজুল হক এবং জেলা পরিষদ সদস্য মামুনি মন্ডলের নামও। পর পর দুই বার নির্বাচনে পরাজয়ের পর আজিজুল হক সাহেবের ওপর মানুষের আস্থা কমেছে, অন্যদিকে সমাজের শিক্ষিত এবং যুবক সম্প্রদায়ের মধ্যে মামুনি মন্ডলের জনপ্রিয়তা তেমন নজরে আসে না। সার্বিক দিক থেকে অধ্যাপক ঘোষ জাতীয় কংগ্রেসের উপযুক্ত প্রার্থী হবেন বলেই বিধানসভার অনেকের বিশ্বাস। মানুষের প্রত্যাশা পূরণে জাতীয় কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা কতটা কার্যকর হয় সেটাই দেখার।








