ইউনাইটেডকে হারিয়ে শিল্ড ফাইনালে মোহনবাগান, শনিবার মেগা ডার্বি
নতুন পয়গাম
এ যেন মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি।একে আইএফএ শিল্ডের ফাইনাল,তাই আবার ডার্বি!
শনিবার মুখোমুখি দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান।ইস্টবেঙ্গল আগেই জায়গা করে নিয়েছিল ফাইনালে,এবার ইউনাইটেডকে হারিয়ে ফাইনালে মোহনবাগানও।
ইউনাইটেড স্পোর্টসকে ২-০ গোলে হারিয়ে তারা ফাইনালে উঠে গেল। দিমিত্রি পেত্রাতোস একটি গোল করেছেন। অপর গোলটি আত্মঘাতী। শনিবার যুবভারতীতে ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলের সামনে মোহনবাগান। ফলে আরও একটি কলকাতা ডার্বি দেখতে চলেছেন দুই প্রধানের সমর্থকেরা।
তবে জয়ের মধ্যেও কাঁটা স্বরূপ এদিনও মোহনবাগানের সমর্থকেরা প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ম্যাচের শুরু থেকেই বিভিন্ন স্লোগান লেখা ব্যানার নিয়ে গ্যালারিতে হাজির হয়ে চিৎকার করেছেন তাঁরা। সেখানে সঞ্জীব গোয়েঙ্কার অপসারণ চাওয়া হয়েছে। সুপার জায়ান্টের সঙ্গে মোহনবাগানের চুক্তি ভঙ্গের দাবি উঠেছে। যদিও তার প্রভাব খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে পড়েনি।
এড়িন প্রথম একাদশে কয়েকটি পরিবর্তন করে কোচ মোলিনা।ম্যাকলারেনকে প্রথম একাদশে রাখেননি। ফলে খেলার মধ্যে অগোছালো ভাব লক্ষ করা যায়। ব্রাজিলীয় রবসন মাঝমাঠ নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন গোটা দলকে। ম্যাচের বিপরীতে সুযোগ পায় ইউনাইটেডও। তাদের নাইজেরীয় স্ট্রাইকার ক্রিস্টোফারের শট বাঁচান মোহনবাগানের গোলকিপার। ১৭ মিনিটে সুযোগ নষ্ট করে মোহনবাগানও। রবসনের নিখুঁত পাস পেলেও অভিষেক সিংহ ঠিক করে বল ক্রস করতে পারেননি বক্সে।তবে
এর মিনিট চারেক পরে আত্মঘাতী গোল খাওয়ার হাত থেকে বেঁচে যায় মোহনবাগান। মেহতাব সিংহ আর একটু হলেই নিজের গোলে প্রায় বল ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। মোহনবাগানের আশিস রাই এবং ইউনাইটেডের সুজল মুন্ডা গোলের সুযোগ নষ্ট করেন। যদিও প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই কামিংসের ক্রস থেকে গোল করে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন পেত্রাতোস। তবে গোল করে কোনও উচ্ছ্বাস করেননি তিনি। কিছু দিন আগে সমর্থকদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়া এবং কোচের সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে এমনিতেই সমালোচিত হচ্ছেন। চুপ থেকেই জবাব দিতে চেয়েছেন অসি স্ট্রাইকার।
এখন দেখার প্রতিবাদে মুখর মোহন সমর্থকরা ফাইনালে কতটা মাঠ ভরান!
অন্যদিকে খোশমেজাজে ইস্টবেঙ্গল ডার্বি হারের গেরো থেকে বেরিয়ে এখন জিতছে ইস্টবেঙ্গল। চলে এসেছে নবাগত হিরোশি’র এনওসি’ও।ফলে ঘরে-বাইরে সমস্যা জর্জরিত মোহনবাগানের চেয়ে ডার্বিতে হয়দো ফেভারিট ইস্টবেঙ্গলই।








