আরও অন্ধকারে ভারতীয় ফুটবল, অনুশীলন বন্ধ দেশের সেরা ক্লাব মোহনবাগানেও
নিজস্ব সংবাদদাতা, নতুন পয়গাম
কয়েকদিন আগে আমাদের সংবাদপত্রে একটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছিল- সাড়ে ৫ লক্ষ জনসংখ্যার দেশ কেপ ভার্দে বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জন করেছে।অথচ দেড়শো কোটির ভারতবর্ষ আজও স্বপ্ন দেখছে।সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল দেশের সেরা লিগে কেউ এক পয়সাও খরচা করতে চাইছে না,তাহলে আর এগোবে কি করে!আইএসএলে টেন্ডার জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল গতকাল।কিন্তু
দিনভর অপেক্ষাই সার। খাতা খোলারই সুযোগ এল না। ভারতীয় ফুটবলের কমার্শিয়াল পার্টনার হতে কোনও কোম্পানিই আগ্রহ দেখায়নি। যার ফলে বিশবাঁও জলে আইএসএল। অর্থাৎ সুপার কাপের পর ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যতও অন্ধকারে। কমার্শিয়াল পার্টনার বেছে নিতে দরপত্র আহ্বান করেছিল সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। শুক্রবার, নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হলেও কোনও বিড পেপার জমা পড়েনি। ঠুঁটো জগন্নাথ ফেডারেশন কর্তাদের মুখে কুলুপ। ঘোর অনিশ্চিয়তার আবহে অনির্দিষ্টকালের জন্য অনুশীলন বন্ধ করে দিল মোহনবাগান। বিবৃতি দিয়ে তা জানিয়ে দিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টও। মোহন বাগান সভাপতি দেবাশিস দত্তের মন্তব্য, ‘অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। বিশাল অর্থ ইনভেস্ট করে ফুটবল দল গড়া হয়েছে। অথচ বাকি মরশুমে বল গড়ানোই অনিশ্চিত।’ তবে ইস্ট বেঙ্গল শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার জানান, ‘আমরা এখনও আশাবাদী। ফুটবল থেমে থাকতে পারে না। দেরিতে হলেও সমস্যা মিটবে।’ অন্যান্য ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলিও হতাশ। এফএসডিএল সরে দাঁড়ালে অনেকেই দল তুলে নিতে পারে।
বার্ষিক ৫০ কোটির চুক্তিতে রিলায়েন্স গোষ্ঠীর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয় ফেডারেশন। আইএসএল পরিচালনার দায়িত্বে ছিল এফএসডিএল। নতুন টার্মশিট সই করা নিয়েই যাবতীয় সমস্যার সূত্রপাত।
এখন যা গতিপ্রকৃতি তাতে ভারতীয় ফুটবল এগনো তো দূর,আরও পিছিয়ে গেল।








