ভারত-বাংলাদেশ ছোটদের ম্যাচেও ‘হ্যান্ডশেক-বিতর্ক’।
নতুন পয়গাম: ২৩৮ তাড়া করতে নেমে একটা সময় ১৭.২ ওভারে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ৯০-২। সেখান থেকে ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে বাংলাদেশের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৯ ওভারে ১৬৫। অর্থাৎ ১০ ওভারে ৭৫ রান।হাতে ৮ উইকেট। কিন্তু পরবর্তী ৪০ রান তুলতেই তাদের সব উইকেট চলে যায়। ফলে শনিবার অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে গ্রুপ বি’র ম্যাচে বাংলাদেশকে হারাল আয়ুষ মাত্রের দল। ডাকওয়ার্থ-লুইস নিয়মে ‘টাইগার’দের বিরুদ্ধে জয় এল ১৮ রানে। বৃষ্টি-বিঘ্নিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ভারত তোলে ২৩৮। তবে দ্বিতীয় দফায় বৃষ্টিতে সময় নষ্টের কারণে পদ্মাপারের দলের টার্গেট দাঁড়ায় ২৯ ওভারে ১৬৫। সেই অবস্থায় দুরন্ত বোলিং-ফিল্ডিংয়ে টেক্কা দিল নীল জার্সিধারীরা। ২৮.৩ ওভারে জুনিয়র টাইগাররা থামল ১৪৬ রানে। ভিহান মালহোত্রার (৪-১৪) অফস্পিনই চুরমার করল তাদের জয়ের আশা। ক্যাপ্টেন আজিজুল হাকিম (৫১) ফিরতেই পরাজয় নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশের। তার আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ১২ রানের মধ্যেই ক্যাপ্টেন আয়ুষ মাত্রে (৬) ও বেদান্ত ত্রিবেদিকে (০) হারায় ভারত। ভিহান মালহোত্রাও (৭) ফেরেন দ্রুত। ধুঁকতে থাকা ইনিংসে অক্সিজেন জোগায় বৈভব সূর্যবংশী ও অভিজ্ঞান কুন্ডুর চতুর্থ উইকেটের জুটি। ১৪ বছর বয়সি বৈভব ৬৭ বলে করে ৭২। তাতে ছিল ছয়টি চার ও তিনটি ছক্কা। বৈভব ফেরার পর দলকে টানেন বঙ্গসন্তান অভিজ্ঞান। ১১২ বলে তাঁর ৮০ রানের ইনিংসে ছিল চারটি চার ও তিনটি ছক্কা। ভারত শেষ পর্যন্ত ৪৮.৪ ওভারে তোলে ২৩৮। বাংলাদেশের আল ফাহাদ ৩৮ রানে নেন পাঁচ উইকেট। এদিকে, টসের সময় দু’দলের ক্যাপ্টেন হাত না মেলানোয় শুরু নয়া বিতর্ক। পুরোটাই ‘অনিচ্ছাকৃত’ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। অসুস্থতার জন্য নিয়মিত ক্যাপ্টেন আজিজুল হাকিম টস করতে আসেননি। সহ-অধিনায়ক জাওয়াদ আবরাব আসেন টস করতে। আয়ুষ মাত্রের সঙ্গে আবরারের হাত না মেলানোর নেপথ্যে বিপক্ষকে অসম্মান করার কোনও মনোভাব ছিল না বলে দাবি বিসিবি’র। ম্যাচের পর অবশ্য দু’দলের ক্রিকেটাররা সৌজন্য বিনিময় করেন।তাই এই নিয়ে আলোচনা আপাতত স্থগিত হয়েছে।তবে ভারতের কাছে জয়ের এত কাছে এসে হারের ঘা দগদগে থাকবে বাংলাদেশীদের মনে।








