বিএলও-র নামেও পড়ল বিচারাধীন ছাপ
নতুন পয়গাম, নদীয়া: নির্বাচন কমিশনের খামখেয়ালিপনা আর দায়িত্ত্বজ্ঞানহীনতা থেকে ছাড় পেল না বিএলও-রাও। যারা চোখের ঘুম কামাই করে রাতদিন মানুষের জন্য কাজ করলেন, তাদের নামেও ছাপ পড়ল ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’।চাপড়ার মাঝদিয়া টিএন পার্ট বেসিক স্কুলের শিক্ষক সাইফুল ইসলাম সেখ। তিনি চাপড়া বিধানসভার ৬৫ অংশের বিএলও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির নোটিস পেয়ে তিনিও চাপড়া ব্লকে শুনানিতে হাজির থেকেছেন গত ৩ ফেব্রুয়ারি। এবার তিনিও রইলেন ‘বিচারাধীন’।
বিএলও সাইফুল ইসলামের আক্ষেপ, আমার পার্ট-এ খুবই ভালো ভাবে কাজ করা হয়েছে। তারপরেও ‘নো ম্যাপিং- ৭ ও লজিক্যাল ডিসক্রাপান্সি-২০ সহ মোট ২৭ জনের নাম ‘বিবেচনাধীন’ এসেছে, তার মধ্যে আমার নামও পড়েছে।বিএলও-র প্রশ্ন, শুনানিতে সবাই উপযুক্ত ডকুমেন্টস সাবমিট করেছে। লজিক্যাল ডিসক্রাপেন্সির সবাই বৈধ ভোটার। তাদের ‘বিচারাধীন’ রাখে কি করে? এখন বিচারপ্রক্রিয়া শেষে সবার নাম যাতে সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় আসে সেদিকেই তাকিয়ে সাইফুল ইসলাম সহ বুথের সমস্ত বিচারাধীন ভোটার।








